বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন, ২০০৭

হাজির বিরিয়ানী

বিরিয়ানী বল্লেও আসলে সেটা তেহারী। সরিষার তেলে রান্না করা, ছোটো ছোটো মাংসের টুকরা, কাঁঠাল পাতায় প্যাকেট করা অসাধারন এক সৃষ্টি।বংগ বাজার থেকে কাজি আলাউদ্দিন রোড ধরে 100 গজ আগালে হাতের ডানে টিনের ছোট্ট একটি দোকানে বিক্রি হয় হাজির বিরিয়ানী।

সকাল ও সন্ধা, এ দুবেলা বিক্রি করা হয় বিরিয়ানী। মনে পড়ছে না ঠিক কয় হাড়ি বিরিয়ানী রান্না করা হয় প্রতিবেলা। 3 কি 4 ! এর একটুকুও বেশি না কমও না।
বিরিয়ানী পেতে হলে দেরী করা চলবে না। লাইন ধরতে হয় কেনার জন্য।

একসময় আগা মাসিহ লেনে থাকতাম, হাজির বিরিয়ানীর খুব কাছেই ছিল বাসা।বাসা যখন নেয়া হয় তখন খুব খুশি ছিলাম যে বাসা নেয়া হচ্ছে হাজির বিরিয়ানীর কাছে,সকাল বিকাল যখন ইচ্ছা বিরিয়ানী খাওয়া যাবে।যদিও 1 বছরের আগা মাসিহ লেনের জীবনে একবারই খাওয়া হয়েছিল।কথায় বলে না মককার লোক হজ্ব পায় না! তখন এক প্লেটের দাম ছিল 60 টাকা, এখন মনে হয় বেড়েছে দাম।

হাজির বিরিয়ানী নিয়ে একটা মজার অভিগ্যতা আছে আমার।বাবা তখন পুলিশে কাজ করতেন। যেহেতু পুরান ঢাকার ও ই অংশের দ্্বায়িত্বে ছিলেন পুলিশের বিভিন্নঅনুষ্ঠানে হাজির বিরিয়ানী সাপ্লাই দেবার গুরু দ্্বায়িত্ব এসে পড়তো বাবার উপর।একবার এরকমই একটা অনুষ্ঠানে বিরিয়ানী দেয়া হোলো।বাবা যখন নিজের অংশ নিয়ে বাসায় আসলেন তখন কাঁঠাল পাতার প্যাকেট খুলে দেখা গেলো শুধুই মরিচ !
২০০৭-০১-২৬ ০৪:৩৫:৫৮

২টি মন্তব্য :

আপনার মন্তব্য পেলে খুশি হবো, সে যত তিক্তই হোক না কেনো।
পোস্টে মন্তব্যের দায়-দায়িত্ব একান্তই মন্তব্যকারীর। মন্তব্য মডারেশন আমি করি না, তবে অগ্রহনযোগ্য ( আমার বিবেচনায় ) কোনো মন্তব্য আসলে তা মুছে দেয়া হবে সহাস্য চিত্তে।