রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১১

ব্লাডি ফেয়ার ডিংকুম ১৫

কোন মন্তব্য নেই :
 ক্যানবেরায় এসে স্কুল জীবনের এক বন্ধুর (?) বাসায় উঠবার সৌভাগ্য (?) হয়েছিলো। বিদেশ বিভূঁয়ে একলা থাকতে হবে না ভেবে মনটা বেশ হালকা ছিলো। ও'কোনোর নামে এক সাবার্বের ৩ বেডরুমের একটা পুরাতন ছিমছাম বাসা। আমার জন্য বরাদ্দ করা ছোট্ট রুমটিতে কোনো বিছানা ছিলো না। ঘরের এককোনে পাতা একটা ম্যাট্রেস, একটা পড়ার টেবিল আর একটা কাবার্ড। কথা ছিলো সপ্তা শেষে ৭০ ডলার, বিদ্যুত, গ্যাসের বিল আর খাওয়া দাওয়ায় যা খরচ আসে তার ভাগ দিতে হবে। এতে আপত্তি থাকবার কথা না, যেখানে যে নিয়ম। বাসায় বন্ধু,বন্ধু পত্নী আর একটা বাংলেদেশি ছেলে। ছেলেটি বাদে সবার পড়াশোনা শেষ। বন্ধু আমার পড়াশোনা শেষ না করেই ডলারের নেশায় উদয় অস্ত ম্যাকডোনাল্ডসে কামলা দেয়, সেই সাথে তার বউ। সবারই গাড়ি আছে আমি ছাড়া।

প্রথম হপ্তাটা ভালোই গেলো। ব্যাংকে গিয়ে ইউ এস ডলার ভাঙানো, ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া, ওরিয়েন্টশন উইকের নানা কিছুতে যোগ দেয়া আর ইউনির এখান সেখানে ঘুড়ে বেড়ানো। ক্লাস তখনো শুরু হতে সপ্তাহ খানেক বাকি ছিলো। হাতে তেমন কিছু করার ছিলো না ঘুমোনো ছাড়া। আশে পাশে এমন কেউ ছিলো না যে এখানে সেখানে ঘুড়িয়ে কিছু দেখাবে। বাসের টিকেট কিনে যেখানে যাবার কথা সেখানে না গিয়ে ভুল করে কতযে অন্য জায়গার চলে গিয়েছিলাম সেটা মনে পরে বেশ মজা লাগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য ৫০% ডিসকাউন্টে সে সময় টিকিট কেনা যেতো। টার্ম টিকিট ছিলো ৫৫ ডলার, উইক ডেজ এ যত খুশি ইচ্ছা ততবার ব্যবহার করা যেতো। উইক এন্ডের জন্য আরেকটা টিকিট কিনেছিলাম ১০ কি ১২ ডলার দিয়ে।

প্রথম যেবার শপিং করতে মলে গেলাম তখন বিশাল মল দেখে অনেক অবাক হয়েছিলো। ঢাকায় তখনো বড়সরো কোনো শপিং সেন্টার হয়নি। আমার কাছে নইু মার্কেট বা চাঁদনি চকই বিশাল কিছু। মলের সব কিছু ঝকমকে তকতকে। একটা সস্তা মোবাইল কেনার দরকার ছিলো। অপটাসের মোটোরলা সেট সহ একটা প্রিপেইড কালেনশন নিয়েছিলাম। দাম পড়েছিলো ৬০ কি ৭০ ডলার, সাথে ৩০ ডলারের ক্রেডিট। বাসায় এসে দেখি দোকানদার ৩০ ডলার চার্জ করেছে। ইচ্ছে হচ্ছিলো দোকানে গিয়ে বাকি টাকাটুকু দিয়ে আসে কিন্তু অচেনা শহরে কিছুই যে চিনি না। পরে একটা ম্যাপ কিনে নেয়ায় বেশ কাজে লেগেছিলো। ম্যাপ রিডিং জানায় ক্যানবেরায় কোথায় কি আছে বা কোন জায়গা কত দূর তা জানতে বেশ সহজ হয়েছিলো। যেখানেই যেতাম সাথে ম্যাপ থাকতো।

হোস্টেলে জীবনের অনেকটা সময় থাকার পরো মনটা খুব খারাপ লাগতো সে সময়। খুব ইচ্ছে করতো দেশে কথা বলতে। বাংলাদেশী এক ভদ্রলোকের দওকান থেকে ফোন কার্ড কিনে প্রথম যখন ফোন করি দেশে সে সময় টুকুর কথা এখনো মনে আছে। মন হচ্ছিলো কত যোগ কথা বলি না। কতকিছু বলার ছিলো কিন্তু অনেক কিছুই যেনো বলা হলো না। মাঝে তো একবার সরাসুরি ফোন করে বসেছিলাম দেশে। ৫/৭ মিনিট কথা বলার পর যখন মাসের শেষে বিল পেয়েছি তখনতো আক্কেল গুরুম অবস্থা। পুরো ১২ ডলার বিল এসেছে আমার নামে।

ও'কোনোরের বাসায় থেকেছিলাম মাস ২ কি আড়াই। সে এক ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা। আমার শত্রুরও যাতে এমনি না হয়।

সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১১

Jervis Bay tour & Whale watch October 2011

কোন মন্তব্য নেই :

খুব সহজেই আমরা মেনে নেই

1 টি মন্তব্য :
মরা যারা স্বেচ্ছায় বা একান্ত বাধ্য হয়ে প্রবাস জীবন বেছে নিয়েছি তাদের জীবনটা আসলে শুরু হয় এদেশে জন্ম নেয়া অন্য যে কারো ২০/২৫ বছর পরে থেকে। আসলে বলতে চাচ্ছি এরা আমাদের চাইতে দৌড় শুরু করে ২০/২৫ বছর আগে থেকে। এটা আসলে যারা পড়াশোনা করতে এসে থিতু হয়েছে তাদের জন্য। যারা দেশের প্রতিস্ঠিত জীবন ছেড়ে বা নতুন করে জীবন শুরু করবার জন্য বিদেশে এসেছে তাদের দৌড় শুরু করতে হয় আরো পর থেকে।

প্রবাস জীবনের প্রথম অবস্থার ধাক্কা সামলে যখন কিছুটা স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলবার ফুসরত মেলে তখন এক সময় আমরা আবিস্কার করি নতুন কিছুর। পড়াশোনা বা অভিজ্ঞতায় অনেক এগিয়ে থেকেও চাকুরি করতে হয় বয়সে ছোট কারো নিচে। সময়ে নিজ অবস্থান বদলালেও সেই কমবয়সী মানুষটিরও অবস্থান বদলে যায়। হাজারো যোগ্যতা  থাকা সত্বেও অনেক সময় সেই যোগ্যতার পুরুস্কারও মেলে না। অনেকে হয়তো আমার সাথে একমত হবেন না। একবার নিজের অবস্থানের সাথে যা হওয়া উচিৎ ছিলো সেটার একবার তুলনা করুনতো !

পোস্টের শীরোনামে যাই থাকনা কেনো বাস্তবতা কিন্তু অন্য কথা বলে। খুব সহজেই আমরা এসব মেনে নেই,  আসলে মেনে নিতে বাধ্য হই। দেশে থাকতে সংখ্যালঘুদের বৈষম্যের শিকার হবার কথা শুনেছি, উপলব্ধি করিনি। এখন নিজে বা আশে পাশের অনেককে এর মাঝ দিয়ে যেতে দেখে উপলব্ধি করছি হাড়ে হাড়ে। বৈষম্যের শিকার হওয়া বড্ড কস্টের। সেটা বর্ণের দোষ দেই বা অন্য যে কিছুরই দোষ দেই।

রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১১

কিভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (Bangladesh Police clerance) সার্টিফিকেট পাবেন

কোন মন্তব্য নেই :
নানা কাজে আমাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। অনেকেরই জিজ্ঞাসা থাকে কিভাবে তা পাওয়া সম্ভব। তাদের জন্যই এই পোস্ট।

যারা স্থায়ী ঠিকানা ঢাকা মেট্রোপলিটান এলাকায় তারা ঢাকা মেট্টোপলিটান পুলিশ সদর দপ্তরের ওয়ান স্টপ সার্ভিস থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন, আর যারা ঢাকার বাহিরে তারা তাদের স্থায়ী ঠিকানার পুলিশ কমিশনার / পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

ধাপ সমূহ:

১) পাসপোর্টের ১- ৬ পাতা এবং অন্য সকল পাতা যেখানে পাসপোর্ট নবায়ন করা হয়েছে বা কোনোরকম সংযোজন অথবা সংশোধন করা হয়েছে সেই সব পাতার ফটোকপি প্রথম শ্রেণীর  ‌গ্যাজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করাতে হবে। প্রবাসীরা সেই দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের কনস্যুলার শাখা থেকে তা সত্যায়িত করাবেন।

২) পাসপোর্টে স্থায়ী ঠিকানা ঢাকায়  হলে ঢাকা মেট্টোপলিটান পুলিশ কমিশনারকে উদ্দেশ্য করে আবেদন করতে হবে। ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের এই সাইটে বিস্তারিত পাওয়া যাবে।
 ঢাকার বাহিরে হলে সংশ্লিস্ট জেলার পুলিশ সুপার বা থানার ওসির বরাবর আবেদন করাতে হবে।

৩) প্রবাসীরা ডাক যোগে আবেদন পত্র ও পাসপোর্টের সত্যায়িত পাতা দেশে কোনো আত্নীয়র কাছে পাঠাবেন। যিনি আপনার পক্ষ হয়ে কাজ করবেন তাকে অথারাইজ করে একটা চিঠি এর সাথে সংযুক্ত করা ভালো।

৪) সোনালী ব্যাংকে হতে ৳৫০০ টাকার "ট্রেজারী চালান" আবেদন পত্রের সাথে যুক্ত করতে হবে।
ট্রেজারি চালান করার সময় এই কোডটি দরকার হবে 1 - 2 2 0 1 - 0 0 0 1 - 2 6 8 1। চালানের আবেদন পত্র বিনে পয়সায় ব্যাংকে পাওয়া গেলেও বেশির ভাগ সময় তা বাহির হতে ২/৫ টাকার বিনিময়ে কিনতে হয়।

৫) ট্রেজারী চালান, আবেদন পত্র ও পাসপোর্টের সত্যায়িত পাতা এক সাথে গেঁথে ঢাকা পুলিশ মেট্টো পুলিশ হেডকোয়ার্টারে জমা দিতে হবে। আবেদন পত্রে নিজের মোবাইল নাম্বার লিখে দিতে পরামর্শ দিচ্ছি যাতে কাজ শেষ হলে বা দরকারে কেউ যোগাযোগ করতে পারে। 

৭) ঢাকা মেট্রো পুলিশের ভাষ্য মতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে ৭ দিন সময় লাগবে। এটা মুলত কাগজে কলমে, বাস্তবতা ভিন্ন। নির্ভর করে কত দ্রুত পুলিশ কাজ করছে। নিজে যোগাযোগ করে কাজ করলে কাজ দ্রুত হয়, নচেৎ বলা মুশকিল কত দিন লাগবে।

৮) ঢাকা মেট্রো পুলিশ হেড কোয়ার্টারের ওয়ান স্টপ সার্ভিস এ আবেদন পত্র জমা দিয়ে টোকেন সংগ্রহ করতে হবে। টোকেনে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাবার তারিখ দেয়া থাকে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আনবার সময় মূল পাসপোর্ট সাথে নিতে পরামর্শ দিচ্ছি। অনেক সময় ওরা সেটা দেখতে চায় ।

৯) যেকোনো এক সময় সংশ্লিস্ট থানা থেকে যোগাযোগ করা হবে। সব কিছু ঠিক থাকলে ৭ দিন পর সার্টিফিকেট হাতে পাবেন।

৮) আবেদনে থানার নাম অবশ্যই পরিস্কার ভাবে উল্লেখ করতে হবে।

১০) ঢাকার বাহিরের ব্যপরাটা একটু ভিন্ন। সেখানে আবেদন পত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেবার পর তারা সেই জেলার পুলিশ সুপার সেটা স্থায়ী ঠিকানার থানায় পাঠিয়ে দেবে। থানা থেকে সব কিছু যাচাই করে তা পুলিশ সুপারের মাধ্যমে তা পররাস্ট্র মন্ত্রালয়ে পাঠাবে ( এটা প্রবাসীদের ক্ষেত্রে )। পররাস্ট্র মন্ত্রানালয়ের কনস্যুলার শেকশন থেকে দূতাবাস/হাই কমিশনের সই যাচাই করে তা আবার পুলিশ সুপারের মাধ্যমে থানায় পাঠানো হবে। থানা হতে ক্লিয়ারেন্স সার্টোফিকেট হাতে হাতে সংগ্রহ করতে হবে। এই পর্বে প্রতিটি ধাপ অনেক সময় লাগে। এর জন্য আবেদনকারীকেই নিজ উদ্যোগে এই কাজ গুলো করতে হবে। পুলিশের হাতে ছেড়ে দিলে সেটা মাস খানেকের বেশী লাগবে।  থানা হতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ও একটি ফোরওয়ার্ডিং লেটার পররাস্ট্র মন্ত্রানালয়ের কনসুলার সেকশন সকাল ১১ এর মধ্যে হাতে হাতে জমা দিলে সেই দিন ২ পর তা দিয়ে দেয়। তবে ব্যস্ততার কারনে সেটা পরের দিনও পেতে পারেন।

প্রতিটি কাজের জন্য যথেস্ঠ পরিমান " ঘুষের " প্রয়োজন পড়বে যাকে ভদ্র ভাষায় 'চা পানির টাকা' বলা যেতে পারে। ঘুষের পরিমান ব্যক্তি ও পরিস্থিতির উপরে নির্ভর করবে।  হাতে সময় নিয়ে কাজ শুরু করা উচিৎ। অন্তত মাস দুয়েকতো অবশ্যই।

এখানে ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের ওয়েব ঠিকানা দিলাম যেখান থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
প্রবাসীরা তাদের নিজ নিজ দেশের হাইকমিশন/দূতাবাসের ওয়েব সাইট ঘেঁটে আরো বিস্তারিত জানতে পারবে। স্পেনে যারা থাকেন তাদের জন্য পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। বিস্তারিত ঢাকা মেট্টো পুলিশের যে ওয়েব ঠিকানা দিলাম সেখান হতে জানতে পারবেন।


আশা করি এই পোস্ট অনেকেরই কাজে লাগবে।

আস্তালা ভিস্তা।

স্মৃতিচারনের সমস্যা

২টি মন্তব্য :
কার কাছে জানি একবার শুনেছিলাম স্মৃতিচারন নাকি বয়স হবার লক্ষন ! বয়স যে থেমে নেই সেটা সত্য। বলা যায় জীবনের আধেকটা সময় পার হয়ে এসে স্মৃতির ভান্ডারে অজস্র স্মৃতি জমা হয়েছে। প্রবাস জীবনের স্বেচ্চা নির্বাসন নিয়ে একটা সিরিজ লেখা শুরু করেছিলাম। এক সময় লক্ষ্য করলাম সেটা বেশ কয়েকটা পর্বে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। হয়তো সময়ে আরো অনেক কিছুই লেখা হবে কিন্তু একটা সময় আবিস্কার করলাম স্মৃতিচারন বেশ বিড়ম্বনার বিষয়।

সময়ে অনেক কিছুই ঝাপসা হয়ে গিয়েছে। আবার অনেক কিছুই লিখতে চাইলেই লেখা যায় না। অনেক অপ্রিয় সত্য আছে যা মুখ ফসকে থক্কু আঙুল ফসকে লিখে ফেল্লে অনেকেই বেজার হতে পারে। স্মৃতি নামক ধারাবাহিক নাটকের অনেক পাত্র-পাত্রীই এখনো বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে যাদের নিয়ে লিখলে তাদের চটকে যাবার সম্ভাবনা অনেক। আবার অনেক কিছুই আছে যা বল্লে প্রতিপক্ষ লেখককে ঘায়েল করবার মোক্ষম অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে। কে চায় বুঝে শুনে অন্যের হাতে অস্ত্র তুলে দিতে !

তারপরো হয়তো অনেক কিছুই লিখতে হবে। লিখতে হবে নিজের জন্যই। তারপরো অনেক কিছুই লেখা হবে না। মস্তিস্কের এক কোনায় অনেক কিছুই জমা হয়ে থাকবে। মানুষের মস্তিস্ক স্ক্যান করে যদি তার স্মৃতিগুলো বের করা যেতো তবে মন্দ হতো না।

শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১১

কেমন যেনো ভোঁতা হয়ে যাচ্ছি

কোন মন্তব্য নেই :
একটা সময় ছিলো যখন পৃথিবীর সব কিছুই এমন ভাবে স্পর্শ করতো যেনো এর প্রতিক্রয়া না জানালে মনে হয় মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে। আর এখন আশে পাশে কত কিছুই ঘটে যায় কিন্তু খুব স্বাভাবিক  ভাবেই এমন ভাব করে এড়িয়ে যাই যেনো কিছুই ঘটেনি। প্রতিদিন সকালে দেশের  পত্রিকার চোখ বূলাই , মৃত্যুর খবর পড়ি , দুর্ঘটনার খবর পড়ি , ধ্বংসের খবর পড়ি কিন্তু পরমুহুর্তেই ভুলে যাই। প্রচন্ড আত্মকেন্দ্রিকের মতো নিজেকে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। এটা কি আত্মকেন্দ্রিকতা নাকি ভোঁতা হয়ে যাওয়া ?

পরিবারের সমস্যার কথা শুনি, অর্থ সংকটের কথা শুনি, অসুস্থতার কথা শুনি - সবকিছু এড়িয়ে যাই যেনো কোথাও কিছু হয়নি।  আসলে আত্মকেন্দিক হয়ে যাচ্ছি। ছোট হয়ে যাচ্ছি জীবনের কাছে।